এক ম্যাচ যায়, আরেক ম্যাচ আসে - কিন্তু কাভান সুলিভানের পা থেকে গোল-অ্যাসিস্টের ধারা যেন থামছেই না। ১৬ বছর বয়সী এই বিস্ময়বালক এখন এম-এল-এস-এর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। আর বাংলাদেশিদের জন্য গল্পটা আরও বিশেষ - কারণ এই তারকার শিকড় যে মিশে আছে বাংলাদেশের মাটিতেও। সর্বশেষ ম্যাচেও যেন একই চিত্র। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে মন্ট্রিয়ল-এর বিপক্ষে আবারও জালের দেখা পেলেন সুলিভান। ফলে টানা তিন ম্যাচে গোল, আর টানা পাঁচ ম্যাচে গোল অবদান - এমন কীর্তির সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় এখন এই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ।

আর এই ধারাবাহিকতাই এনে দিয়েছে আরও বড় রেকর্ড। ১৬ বছর বয়সে এক এম-এল-এস মৌসুমে গোল অবদানের সংখ্যায় ছাড়িয়ে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক তারকা ফ্রেডি আদুকে। আদুর ২০০৫ সালের ১০ গোল অবদানের রেকর্ড পেরিয়ে কাভানের নামের পাশে এখন ১১টি গোল অবদান - ৪ গোল ও ৭ অ্যাসিস্ট। তবে কাভানের রেকর্ডের গল্পটা শুরু হয়েছে আরও আগেই। ২০২৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে এম-এল-এস- এ অভিষেক করে ভেঙেছিলেন ফ্রেডি আদুর রেকর্ড - হয়েছিলেন লিগ ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা ফুটবলার।

যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই প্রতিভার পারিবারিক শিকড় বাংলাদেশের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত, এমনকি তার কাস্টম বুটেও জায়গা পেয়েছে বাংলাদেশের পতাকা। আর সেই কারণেই কাভানের প্রতিটি গোল এখন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছেও আলাদা উত্তেজনার। একদিকে বয়স মাত্র ১৬, অন্যদিকে বড়দের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একের পর এক গোল-অ্যাসিস্ট। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চলতি মৌসুমে ইতোমধ্যেই ২৭ ম্যাচে ৭ গোল ও ১১ অ্যাসিস্ট - সংখ্যাগুলোই বলে দিচ্ছে, কেন তাঁকে ঘিরে এত আলোচনা।