আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার পর এবার ফুটবলের মালিকানায় পা রাখছেন লিওনেল মেসি। স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব এলদেন্সের মালিকানা নিতে যাচ্ছেন ইন্টার মায়ামির এই ফরোয়ার্ড। এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ইএসপিএনকে নিশ্চিত করেছে একটি সূত্র।
তবে এই চুক্তি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এর জন্য প্রয়োজন যথাযথ যাচাই-বাছাই এবং স্পেনের ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিলের (সিএসডি) অনুমোদন। এলদেন্সের বর্তমান মালিক কলম্বিয়ার বিনিয়োগ সংস্থা গ্রুপো টিএইচ। এলদেন্স ছাড়াও কলম্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডে তাদের ক্লাব রয়েছে।
চুক্তি চূড়ান্ত হলে স্পেনে মেসির মালিকানাধীন দ্বিতীয় ক্লাব হবে এলদেন্স। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি এই ফুটবলার এ বছরের শুরুতেই কিনেছিলেন পঞ্চম বিভাগের ক্লাব কর্নেইয়া। বার্সেলোনা শহরভিত্তিক এই ক্লাবটির মালিকানা তখন নিশ্চিত হয়। তবে কর্নেইয়া আধা-পেশাদারি ক্লাব। তাই এলদেন্সকেই ধরা হবে মেসির বিনিয়োগ করা প্রথম পেশাদারি ফুটবল ক্লাব।
এ ছাড়া ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা তার ইন্টার মায়ামি সতীর্থ লুইস সুয়ারেজের সঙ্গে উরুগুয়ের ক্লাব দেপোর্তিভো এলএসএমেরও আংশিক মালিক।
বর্তমানে তিন ধাপের ব্যবধানে এলদেন্স ও কর্নেইয়া আলাদা লিগে খেলছে। তাই আপাতত মালিকানা নিয়ে কোনো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠতে পারে কর্নেইয়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে। কারণ, মেসি যদি দুই ক্লাবেরই সংখ্যাগরিষ্ঠ শেয়ারের মালিক হন, তাহলে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন (আরএফইএফ) দুই ক্লাবকে একই লিগে খেলার অনুমতি দেবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এলদেন্স। তবে তাদের ইতিহাসের বেশিরভাগ সময় শীর্ষ দুই বিভাগের বাইরেই কেটেছে। ১৯৬৪ সালের পর প্রথমবারের মতো তারা দ্বিতীয় বিভাগে ওঠে ২০২৩ সালে। এরপর ২০২৫ সালে অবনমিত হয়। তবে এই গ্রীষ্মে আবার দ্বিতীয় বিভাগে ফিরে আসে ক্লাবটি।
এই মৌসুমে চার ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি এলদেন্স। এই ব্যর্থতার কারণে সপ্তাহের শুরুতেই কোচ ক্লদিও বারাগানকে বরখাস্ত করা হয়। এখন কোনো কোচ ছাড়াই আছে ক্লাবটি।