ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে একের পর এক দারুণ পারফরম্যান্স। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও বল হাতে দেখিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। সেই আত্মবিশ্বাস আর ছন্দ সঙ্গে নিয়েই দেশে ফিরেছেন হাসান মাহমুদ। ফিরেই গন্তব্য মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট - কারণ সামনে যে নতুন মিশন, এশিয়ান গেমস। আর সেই মিশনের প্রথম দিনেই প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রাখতে চাইলেন না হাসান। মাঠে নেমেই শুরু করেন ওয়ার্মআপ, এরপর ফিল্ডিং অনুশীলনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু প্রস্তুতির শুরুতেই বাধা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি, সাময়িকভাবে থেমে যায় টাইগারদের অনুশীলন।
তবে বৃষ্টি থামিয়ে দিতে পারেনি হাসানের ব্যস্ততা। অনুশীলনে বিরতির সেই সময়টুকু কাজে লাগিয়ে স্কুল ক্রিকেটের তরুণদের আবদারও মেটান এই পেসার। ভক্তদের সঙ্গে ছবি তুলে মুহূর্তটাকে করে তোলেন আরও স্মরণীয়। তবে বৃষ্টি থামলেই যে অপেক্ষা করছে আসল কাজ, সেটিও যেন ভুলে যাননি হাসান। বিরতি শেষে মাঠে ফিরেই বল হাতে শুরু হয় হাসানের আসল পরীক্ষা। নেটে একের পর এক ডেলিভারিতে ব্যাটারদের কঠিন পরীক্ষায় ফেলেন এই পেসার। রাব্বিকে পরাস্ত করার পর সাইফকেও নিজের বোলিংয়ের সামনে চাপে ফেলেন তিনি।
গতি, বাউন্স, সুইং থেকে শুরু করে নিখুঁত ইয়র্কার - নেটে যেন একে একে নিজের সব অস্ত্রই ঝালিয়ে নিলেন। প্রতিটি ডেলিভারিতে ছিল বৈচিত্র্য, আর সেই বৈচিত্র্যের ছাপেই মনে হচ্ছিল কাউন্টি ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দেখা সেই হাসানই ফিরে এসেছেন মিরপুরে। ইংল্যান্ডের কাউন্টি থেকে মিরপুর - মঞ্চ বদলেছে, বদলায়নি হাসানের বোলিংয়ের ধার। এবার লক্ষ্য আরও বড় - এশিয়ান গেমসের মঞ্চে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণপদক ছিনিয়ে আনা। প্রথম দিনের অনুশীলনেই হাসানের এমন তেজি প্রস্তুতি তাই বলে দিচ্ছে, নতুন মিশনে নিজেকে উজাড় করে দিতে প্রস্তুত এই পেসার।