গত বছর ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রাখায় শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান দেশটির রাজনীতিক মারিয়া কোরিনা মাচাদো। এবার ২০২৬ সালের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করতে যাচ্ছে নরওয়ের নোবেল কমিটি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় বিজয়ীর নাম প্রকাশ করা হবে।

কার হাতে উঠছে এবার শান্তির নোবেল?

এবারের পুরস্কার কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে আগেভাগে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। নোবেল কমিটির সেক্রেটারি ক্রিস্টিয়ান বার্গ হার্পভিকেন জানিয়েছেন, বিশ্বব্যবস্থায় চলমান পরিবর্তনগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে কমিটি।

বর্তমান পরিবর্তনশীল বিশ্বে নতুন প্রতিষ্ঠান গঠন, নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিকল্প পথ তৈরিতে ভূমিকা রাখা কাউকে পুরস্কৃত করা হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে হার্পভিকেন বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ আলফ্রেড নোবেলের উইলে উল্লেখ করা মূল উদ্দেশ্যগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, নোবেল কমিটি মূলত পুরস্কারের নির্ধারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবদানকে বিবেচনায় নিয়ে কাজ করে। ফলে বিশ্বব্যবস্থায় নতুন উদ্যোগ ও কার্যকর পরিবর্তন আনার প্রচেষ্টাও তাদের বিবেচনায় থাকতে পারে।

বিশ্বজুড়ে চলমান অস্থিরতার কারণে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের গুরুত্ব কমে যায়নি কিংবা যোগ্য প্রার্থীর অভাব তৈরি হয়নি বলেও উল্লেখ করেন হার্পভিকেন। তবে বিশ্ব কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তা নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানান তিনি।

১৮৯৫ সালে সুইডিশ শিল্পপতি আলফ্রেড নোবেলের উইলের মাধ্যমে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের সূচনা হয়। জাতিগুলোর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠা, স্থায়ী সেনাবাহিনী কমানো বা বিলুপ্ত করা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা ও প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।