দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবলের অন্যতম বড় আসর ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬। টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে প্রকাশ করা হয়েছে বিভিন্ন দেশের অফিসিয়াল সম্প্রচার সহযোগীদের তালিকা। আর এই তালিকায় বাংলাদেশের নামের পাশে রয়েছে টি-স্পোর্টস ও টফি। অর্থাৎ বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা টেলিভিশনের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও আসরের ম্যাচ সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশের জন্য সম্প্রচারের দায়িত্বে থাকছে দেশের ক্রীড়া সম্প্রচারের পরিচিত নাম টি-স্পোর্টস। একই সঙ্গে ডিজিটাল সম্প্রচার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে থাকছে টফি। ফলে টেলিভিশনের সামনে বসে খেলা দেখার পাশাপাশি মোবাইল, কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য ইন্টারনেট-সংযুক্ত ডিভাইসের মাধ্যমেও ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকবে। বিশেষ করে অনলাইনে খেলা দেখেন এমন দর্শকদের জন্য এটি হতে পারে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা।
প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস ও হংকংয়ের জন্য আলাদা সম্প্রচার সহযোগী নির্ধারণ করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ায় ম্যাচ দেখাবে এসবিএস অন ডিমান্ড। ইন্দোনেশিয়ায় এমটেকের অধীনে এসসিটিভি, ইন্দোসিয়ার, মোজি ও ভিডিওতে সম্প্রচার হবে। লাওসে ইউনিটেল টিভি ও লাও টিভি এবং হংকংয়ে ভিউ টিভির মাধ্যমে ম্যাচ দেখার সুযোগ থাকবে।
তবে বাংলাদেশের দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকছে টি-স্পোর্টস ও টফি। কারণ দেশের মাটিতে বসেই টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো সরাসরি অনুসরণ করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এই দুই মাধ্যমে। বিশেষ করে টফিতে সম্প্রচার থাকায় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরাও সহজেই অনলাইনে ম্যাচের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন।
সব মিলিয়ে, ফিফা আসিয়ান কাপ ২০২৬-এর সম্প্রচার তালিকায় বাংলাদেশের উপস্থিতি নিশ্চিত। টেলিভিশনে টি স্পোর্টস আর অনলাইনে টফির মাধ্যমে বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে পৌঁছাবে টুর্নামেন্টের সরাসরি সম্প্রচার। দেশের লাখো জনতা এখন অপেক্ষায় আছে কখন দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা। হামজা-জামালদের হাত ধরে প্রথমবারের মতো ফিফা আসিয়ান কাপে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেখার অপেক্ষায় রয়েছে পুরো বাংলাদেশ। এখন অপেক্ষা শুধু মাঠের লড়াই শুরুর। আর সেই লড়াই ঘরে বসে ফুটবলপ্রেমীরা উপভোগ করতে পারবে টি স্পোর্টস ও টফিতে।