গোলের সুযোগ পেয়েও মিস হামজা চৌধুরীর। আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে আজ নিজের পায়ের জাদু দেখাতে পারেননি ইংলিশ এই মিডফিল্ডার। গোলের সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে না পারায় ৩-০ ব্যবধানে হারের কষ্ট নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় থমাস ডুলির দলকে।
৯ জন প্রবাসী ফুটবলার নিয়ে এবারের আসিয়ান কাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছিলেন থমাস ডুলি। লক্ষ্য ছিল, প্রথমবারের মতো আসিয়ান কাপে অংশ নেওয়া লাল-সবুজের দেশটিকে বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে এগিয়ে নেওয়া। তবে কাঙ্ক্ষিত সেই লক্ষ্যে যাত্রার প্রথম বাধাটাই হয়ে দাঁড়াল প্রতিবেশী দেশ মালয়েশিয়া। তাদের আক্রমণাত্মক ফুটবলের সামনে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে হামজা-সোমিতরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই গোল হজম করে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে লাল-সবুজরা। এরপর যেন প্রথমার্ধের তুলনায় আরও আক্রমণাত্মক বাংলাদেশ। একের পর এক সুযোগ তৈরি করে আক্রমণ সাজাতে থাকেন হামজা-জামালরা। তবে বাংলাদেশের গোলকিপার শ্রাবণকে ফাঁকি দিয়ে ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আবারও বাংলাদেশের জালে বল জড়ায় মালয়েশিয়া। ফলে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপর নতুন কৌশলে গোলের ব্যবধান কমানোর মরিয়া চেষ্টা চালাতে থাকে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে একের পর এক আক্রমণ সাজালেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি থমাস ডুলির দল। ম্যাচে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে ৭৬ মিনিটে। শাহরিয়ার ইমনের পাস থেকে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে বল নিয়ে গোলবারের কাছে পৌঁছে যান হামজা। কিন্তু মালয়েশিয়ার গোলকিপারের দৃঢ়তায় এবারও গোলবঞ্চিত হন এই মিডফিল্ডার।এরপর মিস কিক থেকে আবারও বল পায়ে নিয়ে আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেন হামজা। কিন্তু সেখানেও ব্যর্থ তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের গোলবারের পেছনে বাউন্ডারি লাইনের কাছে গিয়ে পড়ে যান এই ইংলিশ মিডফিল্ডার।
হামজার এমন একাধিক সুযোগ হাতছাড়া আর মালয়েশিয়ার ধারালো আক্রমণ দুইয়ে মিলে আসিয়ান কাপে হতাশার শুরু বাংলাদেশের। তবে প্রথম ম্যাচেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না বাংলাদেশের পথচলা। পরের ম্যাচগুলোতে ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়াই এখন হামজা-জামালদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।