মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্সের ভক্তদের অপেক্ষা এখন ‘অ্যাভেঞ্জার্স : ডুমসডে’কে ঘিরে। বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি এ বছরের ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা। তবে তার আগে দর্শকদের জন্য বিশেষ চমক নিয়ে বড় পর্দায় ফিরছে মার্ভেলের ইতিহাস গড়া সিনেমা ‘অ্যাভেঞ্জার্স : এন্ডগেম’। ২০১৯ সালে মুক্তির পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সাড়া জাগানো সিনেমাটি এবার বিশেষ সংযোজনসহ ‘অ্যাভেঞ্জার্স : এন্ডগেম এনকোর’ নামে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আবারও প্রেক্ষাগৃহে আসছে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে একই দিনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পাচ্ছে ‘এন্ডগেম এনকোর’। দেশের মাল্টিপ্লেক্স চেইন স্টার সিনেপ্লেক্সের বিভিন্ন শাখায় দর্শকরা সিনেমাটি দেখতে পারবেন। পুরনো গল্পের সঙ্গে নতুন কিছু দৃশ্য যোগ হওয়ায় যারা আগে সিনেমাটি বড় পর্দায় দেখেছেন, তাদের জন্যও এবারের প্রদর্শনীতে থাকছে বাড়তি আকর্ষণ।
‘অ্যাভেঞ্জার্স : ডুমসডে’র আগে ‘এন্ডগেম’ পুনরায় মুক্তির পেছনে রয়েছে গল্পের ধারাবাহিকতার বিষয়টিও। মার্ভেলের দীর্ঘ কাহিনির গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে ‘এন্ডগেম’-এর ঘটনাগুলো পরবর্তী গল্প বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তাই নতুন সিনেমা আসার আগে দর্শকদের সেই গল্প ও চরিত্রগুলোর সঙ্গে আবারও পরিচয় করিয়ে দিতেই বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, মূল সিনেমার সঙ্গে প্রায় চার মিনিটের অতিরিক্ত দৃশ্য যুক্ত করা হয়েছে।
২০১৯ সালে মুক্তির পর ‘অ্যাভেঞ্জার্স : এন্ডগেম’ বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে রেকর্ড গড়েছিল। মার্ভেলের অ্যাভেঞ্জার্স সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর গল্পের একটি বড় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে সিনেমাটিতে। ফলে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের পাশাপাশি পুরোনো ভক্তদের কাছেও সিনেমাটির পুনর্মুক্তি বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।
এদিকে একই দিনে স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে আরেকটি অ্যাকশনধর্মী সিনেমা—জেসন স্ট্যাথাম অভিনীত ‘মিউটিনি’। আন্তর্জাতিক বাজারে গত ২১ আগস্ট মুক্তি পাওয়া এই অ্যাকশন-থ্রিলার এবার বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য বড় পর্দায় আসছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন জ্যাঁ-ফ্রাঁসোয়া রিশে।
‘মিউটিনি’তে জেসন স্ট্যাথামের সঙ্গে অভিনয় করেছেন অ্যানাবেল ওয়ালিস, রোল্যান্ড মোলার, অ্যাড্রিয়ান লেস্টার, জেসন ওং ও আরনাস ফেদারাভিচুসসহ আরও অনেকে। সিনেমার গল্পে প্রতিশোধ, ষড়যন্ত্র ও টিকে থাকার লড়াইকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে কাহিনি।
বিশাল একটি কার্গো জাহাজকে ঘিরে সিনেমাটির বেশির ভাগ উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা। বন্দুকযুদ্ধ, হাতাহাতি, ধাওয়া ও বিস্ফোরণের পাশাপাশি রয়েছে জেসন স্ট্যাথামের পরিচিত অ্যাকশন দৃশ্য। কখনও একাধিক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে দেখা যায় তাকে, আবার কখনও বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে বুদ্ধি ও কৌশলে বেরিয়ে আসতে হয়।
একদিকে সমুদ্রের বিশাল পরিসর, অন্যদিকে কার্গো জাহাজের সীমিত জায়গায় সংঘাত—দুইয়ের সমন্বয়ে ‘মিউটিনি’তে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনার আবহ। ফলে একই দিনে একদিকে মার্ভেল ভক্তদের জন্য ‘এন্ডগেম এনকোর’, অন্যদিকে অ্যাকশনপ্রেমীদের জন্য জেসন স্ট্যাথামের ‘মিউটিনি’—দুই সিনেমাই ঢাকার বড় পর্দায় দর্শকদের জন্য আলাদা আকর্ষণ তৈরি করছে।