এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম পদক এলো উশুর ৫২ কেজি ফাইট ইভেন্টে। জিন্নাত আক্তারের হাত ধরে পাওয়া এই পদক নিশ্চিত হয়েছে বেশ নাটকীয়ভাবেই।

প্রাথমিক পর্বে বাই পাওয়ার পর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠেন জিন্নাত আক্তার। তবে সেখানে তাঁকে কোনো লড়াইয়েই নামতে হয়নি। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিযোগী নির্ধারিত ওজনের চেয়ে বেশি হওয়ায় ডিসকোয়ালিফাই হন। ফলে কোনো ম্যাচ না খেলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেন বাংলাদেশের এই উশু প্রতিযোগী। আর সেমিফাইনালে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই নিশ্চিত হয় অন্তত ব্রোঞ্জ পদক।

এখন সেমিফাইনালে জয় পেলে রুপা নিশ্চিত করবেন জিন্নাত। আর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল—দুই ম্যাচেই জয় পেলে বাংলাদেশের জন্য আসবে স্বর্ণপদক।

এর আগে ১৯৮৬ সালের সিউল এশিয়ান গেমসে বক্সিংয়ের লাইটওয়েট ইভেন্টে পাওয়া পদকই ছিল কোনো বাংলাদেশি প্রতিযোগীর একক ইভেন্টে প্রথম পদক। দীর্ঘ ৪০ বছর পর সেই অপেক্ষার অবসান ঘটালেন জিন্নাত আক্তার।

উশুর এই পদক নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ উশু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দিলদার হাসান দিলু।

জিন্নাতের সেমিফাইনালে ওঠার মধ্য দিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের একক ইভেন্টে আবারও পদকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এখন সবার চোখ সেমিফাইনালের লড়াইয়ে—যেখানে জিন্নাতের সামনে থাকছে রুপা কিংবা স্বর্ণ জয়ের সুযোগ।