ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির আশপাশে তিনটি বিমানবাহী রণতরি ও দুটি ল্যান্ডিং গ্রুপ মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট এবং মেকিন আইল্যান্ড মেরিন এক্সপেডিশনারি ফোর্স মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নভেম্বরের শেষ নাগাদ ইরানের আশপাশে এসব রণতরি ও ল্যান্ডিং গ্রুপের পূর্ণাঙ্গ মোতায়েন সম্পন্ন হতে পারে। মেকিন আইল্যান্ডের ল্যান্ডিং ফোর্সে দুই হাজারের বেশি মেরিন সেনা রয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল সামরিক শক্তি জড়ো করার ফলে ইরানকে ঘিরে যেকোনো পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক ও সামরিক নেতৃত্বের সামনে বিভিন্ন কৌশলগত বিকল্প তৈরি হবে।

এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান কখনো আলোচনা থেকে পিছিয়ে যায়নি এবং ভবিষ্যতেও যাবে না। যুদ্ধবিরতি পুনরুজ্জীবিত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাব নিয়েও ইরান পর্যালোচনা করছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান প্রসঙ্গে বলেছেন, চুক্তি করা অথবা অন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনায় কাতার মধ্যস্থতা করছে। সংঘাতের অবসান নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতপার্থক্য এখনো রয়েছে।