আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ঐতিহ্যবাহী আকাশি-সাদা জার্সিতে লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচ ঘিরে ভক্ত ও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আফ্রিকার দেশ বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামবেন তিনি। আর এই প্রীতি ম্যাচটিই হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের হয়ে মেসির ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।
স্কোয়াডে অভিজ্ঞ সতীর্থ ও দি মারিয়ার আবেগঘন প্রতিক্রিয়া তিন ম্যাচের এই প্রীতি সিরিজে ৬ অক্টোবরের ম্যাচটিই একমাত্র ম্যাচ, যেখানে লিওনেল মেসি মাঠে নামবেন। শেষবারের মতো তাঁর সঙ্গে স্কোয়াডে খেলবেন জাতীয় দলের কয়েকজন অভিজ্ঞ সতীর্থ—রদ্রিগো দে পল, নিকোলাস ওতামেন্দি ও জিওভানি লো সেলসো।
মেসির বিদায় নিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে জাতীয় দলের সতীর্থ আনহেল দি মারিয়া বলেন, ‘আমাকে তো স্টেডিয়ামে যেতে হবে, তাই না? গিয়ে ম্যাচটি দেখতে হবে। আমরা ৫ অক্টোবর বানফিল্ডের বিপক্ষে খেলব। তাই সম্ভবত সেখানেই থাকব। এটা আমার পথেই পড়বে, আমি সেখানে থাকব।’
মেসির প্রস্থানের পর আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আবেগঘন মন্তব্য করে দি মারিয়া আরও বলেন, ‘অনেক বছর পর লিওকে ছাড়া একটি দল পাওয়া কঠিন হবে। সে আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টাইন জনগণ এবং পুরো বিশ্বের জন্য অনেক কিছু করেছে। আমরা সেই শেষ দিনটি উপভোগ করব।’
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন সতীর্থদের জন্য বিশেষ আমন্ত্রণ বিশ্বকাপজয়ী দলের সতীর্থদের ক্ষেত্রে এবার দেখা যাবে এক ভিন্নধর্মী আয়োজন। মাঠের খেলার পরিবর্তে গ্যালারিতে বসেই এই ঐতিহাসিক বিদায়ী মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাকি সতীর্থদের।
আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি এ প্রসঙ্গে নিশ্চিত করে জানান, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে মেসির সঙ্গে ট্রফি জেতা সব বিশ্বচ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়কে তাঁদের পরিবারসহ খেলা দেখার নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এএফএ সভাপতি বলেন, ‘আমরা কাতার বিশ্বকাপে মেসির সঙ্গে খেলা সব বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি, যাতে তারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলে এমন একটি ম্যাচে তাকে সঙ্গ দিতে পারে, যা সব আর্জেন্টাইন মানুষের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’