কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক সমর্থকের বাড়িতে ভূরিভোজে অংশ নিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম সরকার। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শনিবার রাতে তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় সেনবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলনকে নতুন ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) আহমেদ পেয়ার প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জনৈক ব্যক্তির বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবদুর রহিম সরকারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে সেনবাগ উপজেলার বাতানিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও আওয়ামী সমর্থক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মো. শাহজাহান খোকনের বাড়িতে এক ভূরিভোজে অংশ নেন ওসি আবদুর রহিম সরকার। এই দাওয়াত খাওয়ার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই গত শুক্রবার রাতে উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের বটতলা বাজার এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করেন। সার্বিক পরিস্থিতিতে জেলা পুলিশ সুপার এন এম নাসির উদ্দিন সেনবাগ থানার ওসি আবদুর রহিম সরকারকে অবিলম্বে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়ে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেন।
ওসি পদে নতুন দায়িত্ব পাওয়া পরিদর্শক (তদন্ত) হযরত আলী মিলন বলেন, ‘ফেসবুকে দেখেছি তিনি এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে দাওয়াত খেয়েছেন। গতকাল রাতেই তিনি আমাকে দায়িত্ব হস্তান্তর করে চলে গেছেন।’