এমপিওভুক্তি, বকেয়া বেতন পরিশোধ, এমপিও বন্ধ ও ছাড়করণসহ বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে করা ৩৫টি আবেদন ও মামলার শুনানি আগামী ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ ও চাকরিসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ শুনানিতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

রোববার (৪ অক্টোবর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়। চিঠি অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ভবন-৩-এর ষষ্ঠ তলায় এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী গঠিত আপিল কমিটি শুনানি গ্রহণ করবে। সংশ্লিষ্টদের নিয়োগ, চাকরির মেয়াদ ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে এমপিওভুক্তি, বকেয়া পাওনা পরিশোধ, এমপিও বন্ধ বা ছাড়করণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শুনানিতে অংশ নেওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজেদের বক্তব্যের সমর্থনে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র, আবেদন ও সূচিপত্র সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে। তালিকায় দেশের বিভিন্ন জেলার স্কুল ও কলেজের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, প্রভাষক, অধ্যক্ষ, সহকারী অধ্যাপক, সহকারী গ্রন্থাগারিকসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা রয়েছেন।

এ ছাড়া অফিস সহকারী, অফিস সহায়ক, আয়া, নিরাপত্তাকর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও শুনানির তালিকায় রয়েছেন। বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি সদ্য জাতীয়করণ হওয়া কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের আবেদনও এ শুনানির আওতায় এসেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকতে হবে। শুনানিতে উপস্থাপিত কাগজপত্র ও নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে আপিল কমিটি এমপিওভুক্তি, বকেয়া বেতন প্রদান কিংবা এমপিও বন্ধ বা ছাড়করণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।