আগামীকাল ২৫ সেপ্টেম্বর পালিত হবে বিশ্ব ফুসফুস দিবস-২০২৬। ‘এ লাইফটাইম অব লাং হেলথ’ প্রতিপাদ্যে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে।
তামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার ফুসফুসের ক্যানসার, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), যক্ষ্মা ও অ্যাজমার মতো গুরুতর রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ‘বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস, ২০২৩’-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মৃত্যুর প্রধান পাঁচটি কারণের মধ্যে দুটি ফুসফুস ও শ্বাসতন্ত্রের রোগ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য বলছে, সরাসরি ধূমপানের পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপানও ফুসফুসের জন্য বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাক ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন রোগে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে তামাক ব্যবহারের হার ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ।
এদিকে ই-সিগারেট, ভেপিং, হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট ও নিকোটিন পাউচের মতো নতুন ধরনের নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার কিশোর ও তরুণদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে। এসব পণ্যের বিস্তার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের বলেন, ফুসফুসের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রচলিত তামাকপণ্যের পাশাপাশি ই-সিগারেট, ভেপিং ও অন্যান্য নিকোটিনজাত পণ্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।