চোখে মুখে স্পষ্ট হতাশার ছাপ, তবুও সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এক চিমটি হাসির চেষ্টা বাংলাদেশ দলের কোচ থমাস ডুলির। আসিয়ান কাপে যাওয়ার আগে যে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা, তার একাংশও পূরণ করতে পারেননি হামজা, জামাল, সুমিত, সোমরা। তাই তো হতাশাই স্পষ্ট হওয়ার কথা কোচ থমাসের চোখে-মুখে। ( ৫৪৯ নাম্বার ভিডিওর শেষ দিকে৷)  

আসিয়ান কাপের মতো বড় মঞ্চে বাংলাদেশ সুযোগ পাওয়ায় বেশ আড়ম্বরপূর্ণভাবেই ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে বিদায় দিয়েছিল বাংলার দামাল ছেলেদের। তবে যে প্রত্যাশা নিয়ে আসিয়ান কাপের মঞ্চে পা রাখে হামজা, জামালরা, তার একাংশও পূরণ করতে পারেনি তারা। তাই তো দেশে ফেরার পর মন খারাপ করে থাকতে দেখা যায় কোচিং স্টাফ থেকে ফুটবলারদের।

ইন্দোনেশিয়ার মাটিতে প্রথম ম্যাচ থেকেই অবশ্য কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা না পাওয়া, আর প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামলাতে গিয়ে বারবার চাপে পড়া পুরো আসরেই যেন একই চিত্র। প্রত্যাশার সঙ্গে মাঠের পারফরম্যান্সের এই বড় ব্যবধানই শেষ পর্যন্ত হতাশ করেছে সমর্থকদের। তার ওপর শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হার যেন বাংলাদেশের হতাশার মাত্রাটা আরও বাড়িয়ে দেয়। ম্যাচের বিভিন্ন সময়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা থাকলেও শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে তা খুব একটা কাজে আসেনি। ফলে জয় তো দূরের কথা, আসর থেকে কোনো সাফল্য নিয়ে ফেরার সুযোগও তৈরি করতে পারেনি বাংলাদেশ।

তবে এই ব্যর্থতার মধ্যেও সামনে তাকাতে হবে বাংলাদেশকে। আসিয়ান কাপের অভিজ্ঞতা থেকে ভুলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো শুধরে নেওয়াই এখন মূল লক্ষ্য। সামনে বাংলাদেশে বসতে যাচ্ছে দক্ষিন এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফুটবলের মহারণ সাফের মঞ্চ৷ যেখানে আসিয়ান কাপ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইবে কোচ থমাস ডুলি৷