আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেখানেই অনিয়ম দেখছে, সেখানেই কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং বর্তমান বিএনপি সরকার কোনো অন্যায়কে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা পুলিশ আয়োজিত ‘১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনশৃঙ্খলা উন্নতি ও মাদকবিরোধী বার্তা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা এবং সমাজ থেকে মাদক দূর করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তরুণ ও যুবসমাজ যাতে মাদকের দিকে ঝুঁকে না পড়ে, সেজন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি করা হবে।”

পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ এর আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদক বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না; পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক ঢুকিয়ে দেশের যুবসমাজকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মাদকের বিষয়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক তদবির সহ্য করা হবে না। একই সঙ্গে পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্য যেন মাদকের সাথে জড়িত হতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. সেলিম মিঞা, পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আদিবুল ইসলাম, ডিএসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল এইচ. এম. মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী এবং সহকারী পুলিশ সুপার এবিএম সিদ্দিকসহ স্থানীয় বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জগণ।

এছাড়াও জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।