মেসির শেষবারের মতো আর্জেন্টিনার জার্সিতে মাঠে নামার মুহূর্ত, অথচ সেই আবেগঘন রাতে কি থাকবেন না পাওলো দিবালা? ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আর্জেন্টিনা অধ্যায়ের ইতি টানবেন লিওনেল মেসি। বুয়েন্স আয়ার্সের মনুমেন্টালে হতে যাওয়া এই বিদায়ী ম্যাচে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে আর্জেন্টিনা। ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ পেয়েছেন দিবালাও। কিন্তু তার সামনে দাঁড়িয়ে গেছে ক্লাব রোমার সিদ্ধান্ত। 

স্কালোনির স্কোয়াডে এবারও জায়গা হয়নি দিবালার। অর্থাৎ বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি তার জন্য জাতীয় দলের দায়িত্ব নয়, বরং প্রিয় সতীর্থ মেসিকে শেষবারের মতো মাঠে দাঁড়িয়ে বিদায় জানানোর এক ব্যক্তিগত আবেগ। আর ঠিক এখানেই তৈরি হয়েছে মূল জটিলতা। 

জাতীয় দলের দায়িত্বে ডাক পেলে খেলোয়াড়কে ছাড়ার নিয়ম আছে ক্লাবের। কিন্তু দিবালা এবার স্কোয়াডে না থাকায় সেই বাধ্যবাধকতা রোমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে না। ফলে মেসির আমন্ত্রণ থাকলেও দিবালাকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি ক্লাবের হাতে। 

আর রোমা শেষ পর্যন্ত সেই দরজাটিই বন্ধ করে দিয়েছে। ক্লাবটি জানিয়েছে, দীর্ঘ আন্তমহাদেশীয় ভ্রমণ এবং সামনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ক্লাব সূচির কথা বিবেচনা করেই দিবালা ও মোলিনাকে বুয়েন্স আয়ার্সে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। 

অর্থাৎ, মেসির টানে আর্জেন্টিনায় যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও আপাতত দিবালাকে থাকতে হচ্ছে রোমাতেই। মেসির সঙ্গে ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের সেই স্মৃতি, একই জার্সিতে কাটানো অসংখ্য মুহূর্ত - সবকিছুর পরও শেষ বিদায়ের মঞ্চে সতীর্থের পাশে থাকার সুযোগটি হারাতে পারেন দিবালা। 

তবে প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে - মেসির মতো একজন সতীর্থের শেষ বিদায়, আর তার দেওয়া ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ, সবকিছুকে ছাপিয়ে কি শেষ মুহূর্তে কোনোভাবে বদলাবে রোমার সিদ্ধান্ত? নাকি হাজার মাইল দূরে থেকেই মেসিকে বিদায় জানাতে হবে দিবালাকে?