কফি শুধু ক্লান্তি দূর করে সতেজ রাখে না, এর সঙ্গে বেশ কিছু সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতাও জড়িত। কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ককে সক্রিয় করে মনোযোগ ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। ফলে দিনের শুরুতে এক কাপ কফি শরীরে বাড়তি শক্তি জোগাতে পারে।
নিয়মিত কফি পান দীর্ঘমেয়াদে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। পাশাপাশি কফি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। কিছু গবেষণায় নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণের সঙ্গে পারকিনসন, আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
ওজন নিয়ন্ত্রণেও কফির ভূমিকা থাকতে পারে। গবেষণা বলছে, কফি শরীরে চর্বি জমার প্রক্রিয়া ও বিপাকীয় কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে কফি পান শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকতে উৎসাহিত করতে পারে।
এ ছাড়া নিয়মিত কফি পান বিষণ্ণতার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গেও সম্পর্কিত বলে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে। তবে এসব সম্ভাব্য উপকার পেতে কফি কী পরিমাণে পান করা উচিত এবং ব্যক্তিভেদে এর প্রভাব কেমন তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।