আগামী নভেম্বরের শুরুতেই কক্সবাজার আঞ্চলিক বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, একটি আধুনিক, টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন খাত গড়ে তুলে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক পর্যটন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চায় বর্তমান সরকার।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীতে আয়োজিত বিশ্ব পর্যটন দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য জানান।

জিডিপিতে অবদানের লক্ষ্যমাত্রা ও পুরস্কার প্রবর্তন অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে দেশের জাতীয় জিডিপিতে (GDP) পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। সরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটিকে বাড়িয়ে ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।”

উক্ত অনুষ্ঠানে পর্যটন খাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি দিতে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম অ্যাওয়ার্ড’ চালু করা হয়। টেকসই পর্যটন, উদ্ভাবন, সেবার মান, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণের মতো অবদানকে সম্মান জানাতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি) মোট ১৩টি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার প্রদান করে।

সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী ও এআই প্রযুক্তি আয়োজনে ১২টি বিষয়ভিত্তিক স্টলের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার, ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য, কারুশিল্প, বস্ত্র, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্রগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়। বিশেষ আকর্ষণে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার, যার মাধ্যমে দর্শনার্থীরা বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যের চোখধাঁধানো ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতা উপভোগ করেন।