জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের বিতর্কে ‘রাষ্ট্রহীন’ রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছে ভ্যাটিকান সিটি। সাধারণ পরিষদের পঞ্চম দিনের আলোচনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অভিবাসন ও তরুণ প্রজন্মসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে বিশ্বনেতারা বক্তব্য দেন। এর মধ্যে অভিবাসন নিয়ে আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে ভ্যাটিকান।
বৈশ্বিক অভিবাসন ও মানবিক সংকট নিয়ে আলোচনায় ভ্যাটিকান সিটি রোহিঙ্গাদের বর্তমান মানবিক পরিস্থিতির ওপর গুরুত্ব দেয়। সাধারণ পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে লাখ লাখ রাষ্ট্রহীন রোহিঙ্গার দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভ্যাটিকানের মন্ত্রী কার্ডিনাল মাইকেল ফেলিক্স চেরনি বাংলাদেশ সফর করেন। সে সময় তিনি রোহিঙ্গাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগকে ‘বাস্তব লজ্জা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সংকটের টেকসই সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
এদিকে, ইয়েমেনের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা হাজার হাজার মানুষের আশ্রয়ের কারণে নিজেদের শরণার্থী গ্রহণের সক্ষমতার ওপর চাপ বাড়ছে বলে জানিয়েছে আফ্রিকার দেশ জিবুতি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটি আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে।
অন্যদিকে, অনিয়মিত অভিবাসনকে কেবল নিরাপত্তাজনিত সমস্যা হিসেবে না দেখে এর পেছনে থাকা সংঘাত, দারিদ্র্য ও বেকারত্বের মতো কারণগুলো সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে তিউনিসিয়া।
ফিলিপাইনসও অভিবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে বলেছে, তাদের মর্যাদা বা বৈধ অবস্থান যা-ই হোক, মানবাধিকার, মানবপাচার ও শোষণ থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।