সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও সাহিত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হলে মানুষের নিজস্ব পরিচয়ও হারিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ডিএসসিসির নগরভবন অডিটরিয়ামে ঢাকা নাট্যোৎসবের মতবিনিময় ও স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক চর্চা গুরুত্বপূর্ণ। ভালো গান, নাটক ও চলচ্চিত্র মানুষের চিন্তা-চেতনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং আত্মসমালোচনার সুযোগ তৈরি করে। পাশাপাশি এটি মানুষকে অন্যায় ও অপরাধ থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করে।
তিনি বলেন, নিজের ভাষা, সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও সাহিত্য হারিয়ে গেলে মানুষের অস্তিত্ব ও পরিচয়ই প্রশ্নের মুখে পড়বে। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য সংস্কৃতি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ঢাকায় সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড কমে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে আবদুস সালাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি দেখেছেন নগরীতে সাংস্কৃতিক আয়োজন আগের তুলনায় কমেছে। বিভিন্ন কারণে অনেকে স্বাধীনভাবে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারছেন না। মানুষের মানসিক বিকাশ ও সুস্থ বিনোদনের জন্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের পরিসর বাড়ানো প্রয়োজন।
নাট্যোৎসবের পরিধি আগামী বছর আরও বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় মঞ্চনাটক ও পথনাটকের আয়োজন করা হবে এবং প্রয়োজন হলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মঞ্চ তৈরির ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংস্কৃতির বিকাশেও সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব রয়েছে। এ দায়িত্ব পালনে তিনি আগ্রহী। জয়রাং মিলনায়তন পুনরায় চালু করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শুধু বিদ্যুৎ খরচ বাবদ ৫ হাজার টাকা নিয়ে এটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।