ভোরের আলো ফুটেছে মাত্র কিছুক্ষণ হলো। শিশির ভেজা মাঠে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সকাল সকাল হাজির হওয়া শুরু করেছে মেসির শেষ ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখার এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজেদের সেই উচ্ছ্বাস ভাগাভাগি করে নিতে আজ সেখানে হাজির হয়েছিলেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো কার্লোস সেসা।
মেসিকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের উন্মাদনা যেন ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই বাড়তে থাকে। কারও হাতে আর্জেন্টিনার পতাকা, কারও গায়ে প্রিয় দলের জার্সি। প্রিয় তারকার শেষ ম্যাচটি বড় পর্দায় উপভোগ করতে ক্যাম্পাসে জড়ো হন মেসিভক্তরা। খেলা শুরুর আগেই স্লোগান আর উল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ।
শুধু খেলা দেখাই নয়, মেসির ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ের সাক্ষী হতে যেন এই আয়োজন। গোলের সুযোগ এলেই উত্তেজনায় দাঁড়িয়ে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা, আর গোল হলেই মুহূর্তেই বদলে যাচ্ছে পুরো পরিবেশ। একসঙ্গে হাজারো কণ্ঠের উল্লাসে তৈরি হচ্ছে ভিন্ন এক আবহ।
শিক্ষার্থীদের এই উন্মাদনায় যোগ দিয়ে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূতও উপভোগ করেন ম্যাচের মুহূর্তগুলো। মেসিকে ঘিরে বাংলাদেশি সমর্থকদের এমন ভালোবাসা আর্জেন্টিনার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের আবেগকেও যেন আরও দৃশ্যমান করে তুলেছে। সেই সাথে বাংলায় নিজের অভিব্যক্তিও প্রকাশ করতে দেখা যায় রাষ্ট্রদূতকে
মাঠের লড়াইয়ের বাইরে তাই ড্যাফোডিলের এই আয়োজন হয়ে উঠেছে দুই দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলা। মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির এই আয়োজন হয়তো শেষ হবে ম্যাচের বাঁশির সঙ্গে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস, পতাকার ঢেউ আর প্রিয় তারকার জন্য তৈরি করা এই স্মৃতি থেকে যাবে দীর্ঘদিন। মেসির শেষ ম্যাচ তাই তাদের কাছে শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং প্রিয় তারকার বিদায়কে নিজেদের মতো করে স্মরণীয় করে রাখার এক আবেগঘন মুহূর্ত।