২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দক্ষ মানবসম্পদের সমন্বয়ে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।

‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শিল্প ও সেবা খাতকে আরও সক্ষম করে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন, রোবোটিক্স, ইন্টারনেট অব থিংস, ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ডিজিটাল উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্ব অর্থনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন আনছে। বাংলাদেশকেও এই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের পাশাপাশি দক্ষ, সৃজনশীল ও অভিযোজনক্ষম মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। এ জন্য কারিগরি ও আইটি শিক্ষার প্রসার, তরুণদের প্রযুক্তি ও ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উচ্চদক্ষতার কর্মসংস্থান তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, শুধু প্রযুক্তি গ্রহণ করলেই উৎপাদনশীলতা বাড়বে না; এর সঙ্গে গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা ও কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।

এ ছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রযুক্তি ও অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উৎপাদনশীল, উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতিতে পরিণত করার আহ্বান জানান তিনি।