বিশেষজ্ঞরা বলেন, সকালের নাস্তা সারাদিনের শক্তির উৎস। তবে বিশ্বের সফল উদ্যোক্তা ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সকালের খাবারের অভ্যাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এক চরম বৈচিত্র্য। কেউ ভীষণ স্বাস্থ্যসচেতন, কেউ যা পান তাই খান, আবার কেউ নাস্তা পুরোপুরি এড়িয়ে চলেন।
স্বাস্থ্যকর খাবারের অনুসারী ব্রিটিশ ধনকুবের ও ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন ভোর ৫টায় উঠে নাস্তায় মিউজলি ও ফলের সালাদ খান। কখনো কখনো তিনি ধূমায়িত মাছ (কিপার্স) ও এক কাপ চা পছন্দ করেন। অন্যদিকে, হোল ফুডস মার্কেটের সিইও জন ম্যাকি শুরু করেন গ্রিন স্মুদি দিয়ে। ভ্রমণেও তিনি ওট দিয়ে পোরিজ তৈরির জন্য রাইস কুকার সঙ্গে রাখেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও ডিম, টোস্ট, ফল ও পোরিজ পছন্দ করেন এবং কফির বদলে জুস বা গ্রিন টি পান করেন।
উদ্ভট ও অনিয়মিত অভ্যাস টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি একসময় সেদ্ধ ডিম ও সয়া সস খেলেও পরবর্তীতে মনোযোগ বাড়াতে উপবাসের অভ্যাস গড়ে তোলেন, যেখানে দিনে শুধু একবার সন্ধ্যায় খাবার খান। মেটা-র মার্ক জাকারবার্গের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই, দিনের শুরুতে হাতের কাছে যা পান বা পছন্দ হয় তা-ই খেয়ে নেন।
নাস্তা এড়ানো ও ব্যতিক্রম মাইক্রোসফটের বিল গেটস প্রায়শই নাস্তা এড়িয়ে চলেন, যদিও একসময় তিনি কোকো পাফস খেতেন বলে জানা যায়। টেসলার ইলন মাস্কও সাধারণত সকালের খাবার খান না, তবে খেলে কফি ও অমলেট পছন্দ করেন।
অর্থাৎ, সফলতার কোনো নির্দিষ্ট ডায়েট প্ল্যান নেই। স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে শুরু করে নাস্তা পুরোপুরি বাদ দেওয়া—সফল ব্যক্তিদের খাদ্যাভ্যাসই বলে দেয় শেষ পর্যন্ত যার যার ব্যক্তিগত পছন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্যই আসল।