ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় পরিবারের স্বজনদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তহিরা খাতুন নামের এক গৃহবধূকে অপহরণের অভিযোগ উঠে এসেছে। ভুক্তভোগীর স্বামী রবগুল হোসাইন এ দাবি করেছেন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) গভীর রাতে উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের সুন্দরপুর গ্রামে স্বামীর নিজ বাসভবনে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনার পর মাদ্রাসা শিক্ষক রবগুল হোসাইন বাদী হয়ে কোটচাঁদপুরের ইকড়া গ্রামের বাসিন্দা আজিজুর রহমানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৩-১৪ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, চলতি বছরের জুন মাসে পাশ্ববর্তী কোটচাঁদপুর উপজেলার জালালপুর গ্রামের তহিরা খাতুনের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই আজিজুর রহমান মোবাইল ফোনে তহিরাকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করে আসছিলেন। ঘটনার রাতে আজিজুর ও তাঁর সঙ্গীরা একটি মাইক্রোবাসে করে অস্ত্র নিয়ে তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। শুরুতেই তারা ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাক দিলে পরিবারের সদস্যরা বাইরে আসেন।
এরপরই সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে তারা। এ সময় তহিরা খাতুন আজিজুরকে চিনতে পেরে দ্রুত নিজের ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে দেন। কিন্তু অভিযুক্তরা দরজায় লাথি মেরে ভেতরে প্রবেশ করে এবং জোরপূর্বক তহিরাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে কেটে পড়ে।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে মহেশপুর থানার কর্মকর্তা আজাদুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই অপহৃত গৃহবধূকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।