বিদেশি কোচ এলেই বদলে যাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট, বদলে যাবে দলের ভাগ্য - এমন প্রত্যাশা অনেকেরই। কিন্তু বিদেশি কোচ দুনিয়া উল্টে দিতে পারবেন না, বাস্তবতা মনে করিয়ে দিলেন তাসকিন আহমেদ।
দলের পারফরম্যান্স খারাপ হলেই সমালোচনার তির ছুটে যায় দেশি কোচদের দিকে। অথচ জয়ের গল্পে তাঁদের অবদানটাই যেন থেকে যায় পর্দার আড়ালে। আর এই বৈপরীত্যের মাঝেই নতুন করে আলোচনায় দেশি কোচদের প্রাপ্য সম্মান।
ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে মোহাম্মদ আশরাফুল, আর প্রধান কোচ হিসেবে রয়েছেন ফিল সিমন্স। অর্থাৎ, আশরাফুলের পাশে আছেন অভিজ্ঞ বিদেশি কোচও। তবু দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা সামনে এলেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় দেশি কোচকে। বিদেশি কোচ থাকলেই কি সব সমস্যার সমাধান, নাকি দায় এড়ানোর সহজ পথ খুঁজি আমরা?
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয় কিংবা পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয়ের মতো সাফল্য - বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেই স্মরণীয় মুহূর্ত। যেই জয়গুলোতেও মোহাম্মদ আশরাফুলদের মত দেশি কোচরা ছিলেন দলের সাথে। তবে তখনও সাফল্যের আলোচনায় দেশি কোচদের অবদান নিয়ে তেমন কথা বলতে দেখা যায়নি।
অথচ ব্যর্থতা এলেই দেশি কোচদের কাজ নিয়ে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। তবে এবার আশরাফুলদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন তাসকিন। বিদেশি কোচ দুনিয়া উল্টে দেবেন না - তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে ক্রিকেটেরই এক সহজ সত্য। কোচ বিদেশি হোন কিংবা দেশি, মাঠে জেতার উপরেই নির্ভর করে সব।
সাফল্যে যেমন সবার অবদান থাকে, ব্যর্থতার দায়ও একা একজনের কাঁধে চাপানো যায় না। শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা বিদেশি বনাম দেশি কোচের নয়, প্রশ্নটা ন্যায্য মূল্যায়নের। ফিল সিমন্সের মতো বিদেশি কোচ যেমন দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তেমনি আশরাফুলদের অবদানও উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।