প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িতদের পরিচয় ও তাদের সাহসের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যাংক লুট ও জনগণের অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের কেউ বিদেশে পালিয়ে গেছে, আবার কেউ দেশের ভেতরে আত্মগোপনে রয়েছে। তারা এখনও সক্রিয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে প্রেসক্লাবে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন রিজভী।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কারা জড়িত এবং তারা কীভাবে এমন সাহস পাচ্ছে, তা খুঁজে বের করা প্রয়োজন। তার দাবি, এসব গোষ্ঠীকে আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া যাবে না। গণতন্ত্রকামী মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব দুর্বৃত্তের উত্থান দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় পতাকার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
রিজভী আরও বলেন, দুষ্কৃতকারীরা যেন নতুন করে সক্রিয় হতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিহত করতে হবে।
দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছেন। ঈদ, পূজা-পার্বণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে একে অপরের অংশগ্রহণ এ দেশের ঐতিহ্যের অংশ।
রিজভীর অভিযোগ, এই সম্প্রীতির ঐতিহ্য নষ্ট করতে পরাজিত শক্তি এখনও নানা ষড়যন্ত্র করছে। পূজাকে কেন্দ্র করে কেউ যেন অরাজকতা সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে সবাইকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো সজাগ থাকতে হবে। এ জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান রিজভী।