বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু হোক কিংবা স্বাভাবিক শিশু—কোনো শিশুকেই শিক্ষার বাইরে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে ‘লিডো বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘ইয়াং জার্নালিস্ট চেঞ্জমেকার্স: ভয়েস ফর ভালনারেবল চিলড্রেন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে। এ ব্যবস্থায় একদিনের নবজাতক থেকে শুরু করে সমাজের প্রবীণতম নাগরিক পর্যন্ত সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একই ছাতার নিচে নিয়ে আসার লক্ষ্য রয়েছে।

শিশুদের মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার থেকেই নৈতিক শিক্ষার চর্চা শুরু করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পরিবারহীন শিশুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনে সরকার বিভিন্ন ছোটমণি নিবাস ও শিশু নিবাস পরিচালনা করছে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানে শিশুদের থাকার ও পড়াশোনার সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

যেকোনো জনকল্যাণমূলক সামাজিক উদ্যোগ ও কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতা করা সরকারের দায়িত্ব উল্লেখ করে এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, সরকার কারও প্রতিপক্ষ নয়। সরকার ও জনগণ পরস্পরের পরিপূরক ও সম্পূরক। তাই সমালোচনার পরিবর্তে বিদ্যমান সামর্থ্য ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে সবাইকে দেশসেবায় এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানের মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে শিশুরা সরাসরি মন্ত্রীর কাছে নিজেদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির কথা তুলে ধরে।

এ সময় অভিভাবকহীন শিশুরা বিশেষ করে জন্মনিবন্ধন সনদ পাওয়া এবং বিভিন্ন নাগরিকসেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতার বিষয়টি তুলে ধরে তা সমাধানের দাবি জানায়। মন্ত্রী তাদের কথা শোনেন এবং সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।