সৌদি আরবের সঙ্গে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সংঘাত ও হামলা বাড়ায় সক্রিয় করা হয়েছে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের ত্রিপাক্ষিক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা জোট’। সোমবার রিয়াদে জোটের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, সৌদি আরবে দ্রুত সেনা ও সামরিক সক্ষমতা মোতায়েনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে পাকিস্তান ও তুরস্ক। তিন দেশের জাতীয় আইন ও পূর্বনির্ধারিত চুক্তির শর্ত মেনেই এ মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
বিবৃতিতে মক্কা-মদিনাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে পাকিস্তান ও তুরস্ক।
সোমবারের বৈঠকে তিন দেশের পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও সামরিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুমান মাহমুদকে তিন বছরের জন্য মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই চুক্তির আওতায় যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করা হলো।