দৌড়াতে দৌড়াতে হাপিয়ে উঠেছেন সোহাগ গাজী। তবে থামার যেন কোনো জো নেই। কারণ এনসিএলে টিকতে হলে প্রথম বাধাটাই যে ফিটনেসে পাস করা। আসন্ন ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগের আসরকে সামনে রেখে মিরপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ক্যাম্প। যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির ফিটনেস কোচসহ সম্প্রতি বাংলাদেশ দলে নিয়োগ পাওয়া রিহ্যাব সেন্টারের প্রধান মারিও ভিল্লাভারায়েন।
আর কিছুদিন বাদেই মাঠে গড়াবে বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের ঘরোয়া ক্রিকেটের আসর ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ। আর সেই আসরে নিজেদের জায়গা পাকাপোক্ত করতে সকাল সকাল জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। এ সময় ১৬০০ মিটার দৌড়ে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দেন টাইগাররা।
ফিটনেস পরীক্ষায় অংশ নেন বাংলাদেশ দলের প্রায় সব ক্রিকেটারই। জাতীয় দলের পাশাপাশি জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটাররাও অংশ নেন এই কর্মসূচিতে। এনামুল হক জুনিয়র, সোহান, জাওয়াদ, আবরারসহ প্রায় সকলেই ছিলেন বিসিবির এই ফিটনেস ক্যাম্পে। জাতীয় দলে ঢোকার পূর্বশর্ত হিসেবেই ধরা হচ্ছে এই ফিটনেস টেস্টকে। তাই কোনো ক্রিকেটার ফিটনেস পরীক্ষায় ব্যর্থ হলে, তাদের জন্য সুযোগ রাখার কথাও জানিয়েছেন কোচ মীর ইফতেখারুল ইসলাম। এছাড়া জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়েও কথা বলেন কোচ ইফতেখারুল। নিজের বক্তব্যে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ফিটনেসের বর্তমান অবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি ক্রিকেটারদের প্রশংসা করে জানান, তাদের ফিটনেসকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যেতে কাজ চলছে।
আসন্ন ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগকে সামনে রেখে মিরপুর জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবির আয়োজনে ক্রিকেটারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো কঠোর ফিটনেস ক্যাম্প। ১৬০০ মিটার দৌড়সহ বিভিন্ন পরীক্ষায় নিজেদের ফিটনেসের প্রমাণ দিতে হয়েছে জাতীয় দল ও জাতীয় দলের বাইরের ক্রিকেটারদের। আর ঘরোয়া ক্রিকেটের এই আসরে জায়গা করে নিতে ফিটনেস পরীক্ষাই যেন তাদের প্রথম বড় পরীক্ষা।