কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মালয়েশিয়ার সুলভ মূল্যের এয়ারলাইন এয়ার এশিয়া কক্সবাজার ও পেনাংয়ের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনার কথা নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
বৃহস্পতিবার মন্ত্রী জানান, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার এশিয়ার সরাসরি ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ স্থাপিত হবে। তবে কবে থেকে ফ্লাইট শুরু হবে বা সপ্তাহে কতটি ফ্লাইট পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সরকার কক্সবাজারকে আঞ্চলিক বিমান চলাচল ও পর্যটনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক রুট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার-কাঠমান্ডু এবং কক্সবাজার-কুনমিং সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক রুট চালুর মাধ্যমে বিদেশি পর্যটকদের কক্সবাজারে আকৃষ্ট করা এবং পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ উদ্যোগ সফল হলে হোটেল-রিসোর্টসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়তে পারে।
এদিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রায় ৩৬২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১৭ হাজার ৯৫৬ বর্গমিটারের এই টার্মিনালে ইমিগ্রেশন, লাগেজ বেল্ট, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, এসকেলেটর ও বোর্ডিং ব্রিজসহ আধুনিক সুবিধা রয়েছে।
টার্মিনাল সম্প্রসারণের ফলে বিমানবন্দরের বার্ষিক যাত্রী পরিচালন সক্ষমতা প্রায় ৭ লাখ ৩০ হাজার থেকে বেড়ে ১৮ লাখে উন্নীত হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি রানওয়ের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুট করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ও বড় আকারের উড়োজাহাজ পরিচালনার জন্য উপযোগী।