গত সাত মাসে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।
সোমবার (৫ অক্টোবর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা সচিব বলেন, জাতীয় উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি হলো শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্তরের ১০২ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
তিনি জানান, শিক্ষকদের পেনশন ও অবসরভাতা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতে ইএফটি ও আইবাসের মাধ্যমে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষাক্রমও হালনাগাদ করা হয়েছে, যা বাস্তবায়নে শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।
আবদুল খালেক বলেন, নারীশিক্ষার প্রসার ও ঝরে পড়া রোধে উপবৃত্তি কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থসংকটের মধ্যেও ৭০ লাখ মেয়েকে সার্বজনীন উপবৃত্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্মাননাপ্রাপ্ত ১০২ জন শিক্ষককে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা সচিব বলেন, ভবিষ্যতে তারা শিক্ষা খাতের বিভিন্ন কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তাদের প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতেও সরকার কাজ করবে।
অনুষ্ঠানে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
এবার বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য ‘শিক্ষকদের পাশে: পেশার সুরক্ষায় ৬০ বছর, মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গড়া’।