সিলেট টেস্টের প্রথম সেশনে বল হাতে শুরুটা চমৎকার করলেও উইকেটের সার্বিক পরিস্থিতি থেকে শতভাগ সুবিধা আদায় করে নিতে পারেনি বাংলাদেশ। মেঘলা কন্ডিশনকে কাজে লাগিয়ে স্বাগতিক পেসাররা দ্রুত সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ অর্ডারকে চেপে ধরলেও, পরবর্তীতে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে সেশনটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় ক্যারিবীয়রা। প্রথম দিনের লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে সফরকারীদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৮৬ রান।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) খেলা শুরুর পর থেকেই তোপ দাগাতে থাকেন বাংলাদেশের পেসাররা। দলীয় ১৪ রানের মাথায় তাসকিন আহমেদের ভেতরে আসা এক অসাধারণ বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার ব্রেন্ডন কিং (৯)। এর আগে হাসান মাহমুদের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন জশুয়া ডি সিলভা, তবে ভাগ্য সঙ্গ দিলেও উইকেটে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি তিনি। দলীয় ২৭ রানে তাসকিনের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ১২ রান করে বিদায় নেন এই ব্যাটার।

এরপর হাসান মাহমুদের নিচু হয়ে যাওয়া এক ইন-সুইঙ্গারে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন কাভেম হজ। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া ক্যারিবীয়দের হাল ধরেন অভিষিক্ত ব্যাটার কেভিন উইকহ্যাম।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা উইকহ্যাম অপর প্রান্তের আমির জাঙ্গুকে সঙ্গে নিয়ে স্বাগতিক বোলারদের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। আর কোনো বিপদ হতে না দিয়ে প্রথম সেশনের বাকি সময় পার করে এই দুই ব্যাটার অনায়াসে যোগ করেন মহামূল্যবান ৫৯ রান। জাঙ্গু ৩২ রান এবং উইকহ্যাম ২৭ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে লাঞ্চে যান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ ২টি এবং হাসান মাহমুদ ১টি উইকেট অর্জন করেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (প্রথম সেশন শেষে):

ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথম ইনিংস: ২৬ ওভারে ৮৬/৩ (আমির জাঙ্গু ৩২*, কেভিন উইকহ্যাম ২৭*, জশুয়া ডি সিলভা ১২, ব্রেন্ডন কিং ৯; তাসকিন আহমেদ ২/৩৬, হাসান মাহমুদ ১/৩৩, মেহেদী হাসান মিরাজ ০/১৩, তাইজুল ইসলাম ০/৩)।