সম্ভাবনার আলো ছড়িয়েই জাতীয় দলের দরজায় কড়া নেড়েছিলেন ইউসুফ। কিন্তু কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার লড়াইয়ে যেন কিছুটা থমকে গেছে তার গতি। গতি আছে, সামর্থ্য আছে, আছে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তোলার স্বপ্নও। কিন্তু আন্তর্জাতিক ফুটবলে শুধু প্রতিভা থাকলেই যে জায়গা নিশ্চিত হয় না, ইউসুফের বর্তমান পরিস্থিতিই যেন তার প্রমাণ। কারণ নতুন পরিবেশ, নতুন কন্ডিশন আর জাতীয় দলের অনুশীলনের তীব্রতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। মাঠে নিজের ছন্দ খুঁজে পেতে তাই কিছুটা সময় লাগছে এই তরুণের। আর সেই সময়টুকুই যেন তার সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। তবে পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। বরং সামনে রয়েছে একের পর এক সম্ভাবনার দরজা।

বাংলাদেশ ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলবে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন অভিজ্ঞতার সুযোগও আসছে আসিয়ান কাপ ঘিরে। ফলে ইউসুফের সামনে এখন মূল প্রশ্ন একটাই - কোন মঞ্চে মিলবে তার কাঙ্ক্ষিত সুযোগ? সাফের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়ে ঘরের দর্শকদের সামনে নিজেকে প্রমাণ করবেন, নাকি আসিয়ান কাপের মঞ্চেই মিলবে নতুন পরিচয়ের সুযোগ?

আর সুযোগ পেলে সেটিকে কাজে লাগানোর জন্য দরকার আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়া। কারণ জাতীয় দলের দরজা একবার খুললেও, সেখানে টিকে থাকার লড়াইটা প্রতিটি অনুশীলন থেকেই শুরু হয়। ইউসুফের গল্প তাই এখনো শেষ হয়নি। বরং অপেক্ষা শুধু সেই মুহূর্তের - যখন কন্ডিশনের বাধা পেরিয়ে নিজের সামর্থ্যের ঝলক দেখাবেন তিনি। সাফ, নাকি আসিয়ান কাপ - কোন মঞ্চে দেখা যাবে ইউসুফের সেই গতি, উত্তরটা দেবে সময়ই।