কুষ্টিয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, হামলার পর পুলিশের নিরাপত্তায় কিছুদূর গিয়ে গাড়ি পরিবর্তন করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন নাসীরুদ্দীন। এ ঘটনায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আগের দিন থেকেই কুষ্টিয়ায় অবস্থান করছিলেন এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন। এ সময় বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কোনো ঝামেলা হয়নি।

রাশেদ খাঁনের ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার রাতে নাসীরুদ্দীন এনসিপির নেতাকর্মীদের নিয়ে লালন শাহের মাজারে যান। সেখানে অবস্থানরত কয়েকজনের সঙ্গে তারা বেশ কিছু সময় কাটান। পরে সেখান থেকে ফেরার সময় কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে এনসিপির নেতাকর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

তিনি দাবি করেন, ওই ঘটনায় কুষ্টিয়া বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি।

রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর লালন শাহের মাজারে যাওয়ার বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়নি। তার প্রশ্ন, একজন রাজনৈতিক নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে এভাবে চলাফেরা করতে পারেন কি না।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়। নাসীরুদ্দীন কিছুদূর পুলিশের নিরাপত্তায় যাওয়ার পর গাড়ি পরিবর্তন করেন এবং দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। তার এই আচরণ নিয়ে একধরনের সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।