শুধু খাবার হজম করাই অন্ত্রের কাজ নয়। অন্ত্রে থাকা ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন অণুজীবের সম্মিলিত পরিবেশকে বলা হয় গাট মাইক্রোবায়োম। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে এসব অণুজীবের সম্পর্ক রয়েছে। তাই অন্ত্রের অণুজীবের ভারসাম্য ও বৈচিত্র্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
পুষ্টিবিদ মাহমুদা আফরিনের মতে, অন্ত্র ভালো রাখতে প্রতিদিনের খাবারে বৈচিত্র্য আনা জরুরি। শাকসবজি, ডাল, ফল, পূর্ণশস্য, বাদাম ও বীজের মতো আঁশসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাওয়া উচিত। এসব খাবার অন্ত্রের উপকারী অণুজীবের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগাতে পারে।
শুধু দই বা প্রোবায়োটিক খাবারের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসে নজর দিতে হবে। প্রয়োজন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা উচিত নয়। পাশাপাশি প্যাকেটজাত ও অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে কম প্রক্রিয়াজাত ও পুষ্টিকর খাবারকে গুরুত্ব দেওয়া ভালো।
অন্ত্রের যত্নে পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত শারীরিক সক্রিয়তা ও পর্যাপ্ত ঘুমও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো একটি ‘ম্যাজিক ফুড’-এর ওপর নির্ভর না করে বৈচিত্র্যময় খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই অন্ত্রের অণুজীবের ভারসাম্য বজায় রাখার মূল উপায়।