রাজধানীতে একের পর এক ককটেল ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করেছে পুলিশ। শাহবাগ মোড়সহ ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। নাশকতার আশঙ্কা এড়াতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে চালানো হচ্ছে কঠোর তল্লাশি। বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে মোটরসাইকেলগুলোও।
রাজধানীর মিরপুর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, তেজগাঁও এবং শাহবাগসহ বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাউকেই ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। রিকশা, মোটরবাইক ও অন্যান্য যানবাহনের যাত্রীদেরও নজরদারিতে রাখছেন পুলিশ সদস্যরা।
বিভিন্ন সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে হঠাৎ করেই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে দুর্বৃত্তরা।তবে পুলিশের এই তল্লাশি কার্যক্রমের মধ্যে নজর কেড়েছে কয়েকজন শিক্ষার্থীর ভিন্নধর্মী দাবি। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে না দেওয়ার দাবি জানিয়ে এক শিক্ষার্থী বলেন,
তবে তল্লাশিমূলক এ কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি নজরদারিতে রয়েছে মোটরসাইকেলগুলো। চেকপোস্টে মোটরসাইকেল থামিয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও তল্লাশি চালাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। তবে এই তল্লাশিকে ঘিরে কোথাও কোথাও তৈরি হচ্ছে ভোগান্তি। যাত্রাপথে চলাচলের সময় তল্লাশির কারণে স্বাভাবিক যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটলে ক্ষোভ প্রকাশ করে এক পথচারী বলেন,
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের এমন তল্লাশি অভিযানকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে বাড়তি সতর্কতা। ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে পুলিশের উপস্থিতি এবং যানবাহনে তল্লাশির মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে। সন্দেহজনক গতিবিধি নজরে এলে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
সব মিলিয়ে, একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনার পর রাজধানীর নিরাপত্তাব্যবস্থায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। নাশকতার ঝুঁকি এড়ানো, সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই পুলিশের এই বিশেষ তৎপরতা। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানীজুড়ে পুলিশের নজরদারি ও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।