অভিজাত রেস্তোরাঁয় 'ডোরি মাছ' নামে পরিবেশন করা হচ্ছে দেশীয় পাঙাশ! নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও ফিশ জেনেটিকস বিশেষজ্ঞ ড. রাকেব-উল-ইসলামের গবেষণায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য।

ঢাকা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের কয়েকটি রেস্তোরাঁ থেকে সংগ্রহ করা 'ডোরি' মাছের নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। PCR ও DNA sequencing-এর পর দেখা যায়, নমুনাগুলোর সঙ্গে Pangasius hypophthalmus প্রজাতির পাঙাশের ডিএনএর মিল রয়েছে।

গবেষকের মতে, সাধারণ ভোক্তাদের পক্ষে চেহারা দেখে এই মাছের প্রকৃত পরিচয় বোঝা কঠিন। ফলে বেশি দাম দিয়ে ডোরি কিনেও কেউ পাঙাশ খাচ্ছেন কি না, তা জানার সুযোগ থাকছে না।

বিদেশের বাজারে ডোরি মাছের মাংসের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ৬ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হলেও দেশে পাঙাশ পাওয়া যায় তুলনামূলক অনেক কম দামে। শুধু ডোরি নয়, 'টেংরা' নামেও পাঙাশের পোনা পরিবেশনের তথ্য পেয়েছেন গবেষক।

ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং মাছের প্রকৃত পরিচয় নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।